Sunday, June 14, 2015

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট



 


ফ্রিল্যান্সারদের টাকা সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে জমা করার সুবিধা দিতে এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) অ্যাকাউন্ট চালু করল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক





বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড সার্ভিসের (বেসিস) সহযোগিতায় এই সুবিধা দেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। এর মাধ্যমে আউটসোর্সিং পেশাদাররা তাদের অর্জিত অর্থের ৬০ শতাংশ ডলারে ইআরকিউ অ্যাকাউন্টে এবং ৪০ শতাংশ অর্থ দেশীয় মুদ্রায় সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা করতে পারবেন। ছাড়াও গ্রাহকেরা একটি আন্তর্জাতিক ডেবিট কার্ডের সাহায্যে কেনাকাটাসহ যাবতীয় লেনদেন করতে পারবেন। এই অ্যাকাউন্ট ব্যক্তি বা কোম্পানি পর্যায়ে খোলা যাবে।
সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এই উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ফ্রিল্যান্সারদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বেসিসের সহায়তায় কয়েক ধরনের সেভিং অ্যাকাউন্ট ইউএস ডলার ইআরকিউ (এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা) অ্যাকাউন্ট চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
এই অ্যাকাউন্ট খুলতে বেসিস থেকে একটি সনদপত্র গ্রহণ করতে হবে। বেসিস থেকে সনদ নিতে তিন হাজার টাকা লাগবে। এই সনদ পেতে বেসিসের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট উদ্বোধন করেন তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ এর হেড অব রিটেইল ক্লায়েন্ট আদিত্য মণ্ডল এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসর (বেসিস) প্রেসিডেন্ট শামীম আহসান।
জুনাইদ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি অনুরোধ আসে পেমেন্ট গেটওয়ে সমস্যা সমাধান করার। জন্য বেসিস স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এগিয়ে আসায় তাদের ধন্যবাদ। আজ এই ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট সুবিধা উদ্বোধনের মাধ্যমে সাফল্যের সঙ্গে একটি ধাপ এগিয়ে যেতে পারলাম।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী আবরার আনোয়ার বলেন, ‘বাংলাদেশে আমরাই প্রথম আউটসোর্সিং পেশাদারদের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা এনেছি যাতে দ্রুত, নিরাপদ এবং বৈধ উপায়ে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনা বা বিদেশে কেনা কাটা করা যায়।
শামীম আহসান বলেন, ‘ সুযোগের মাধ্যমে আউটসোর্সিং পেশাদারেরা অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স আন্তর্জাতিক বিল আদান-প্রদানে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।
সনদ দিতে বেসিস তিন হাজার টাকা নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে এক ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সাজ্জাদ হোসেন অলি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বেসিস হয়তো আইনিভাবে ফ্রিল্যান্সারদের রকম সনদ দেওয়ার যোগ্যতা রাখে, কিন্তু নৈতিকভাবে কি ফি বা চাঁদা রাখতে পারে? আর যদি রাখে এর বিনিময়ে কী সেবা দেওয়া হবে? ’
সংবাদ সম্মেলনে বেসিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্রিল্যান্সারদের একই নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে এবং তাদের স্বীকৃতি দেবে বেসিস। তা ছাড়া যাচাই-বাছাই, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাজের জন্য এই অর্থ সামান্য। অনেকেই ধরনের নিশ্চিত সেবা পেতে এর চেয়ে বেশি অর্থ খরচের জন্য প্রস্তুত থাকেন।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট খুলতে বেসিসের অর্থ গ্রহণের কারণ যুক্তি দিয়ে শিগগিরই লিখিত বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশের তথ্য জানিয়েছে বেসিস

ফেসবুকের নিউজফিডে আবারও পরিবর্তন





আবারও পরিবর্তন আসছে ফেসবুকের নিউজফিডে। নিউজফিড সাজাতে নতুন আরেকটি নীতি যোগ হলো এবার। এখন থেকে লাইক বা কমেন্টের পাশাপাশি কোন পোস্ট দেখতে কত সময় নিচ্ছে ব্যবহারকারী, সেটির ওপরও নির্ভর করে নিউজফিডে পোস্ট আসবে
ব্যাপারে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল জানিয়েছে, গত শুক্রবার সর্বপ্রথম ফেসবুকের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়। ব্যাপারে এক ব্লগপোস্টে ফেসবুকের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আনশা ইয়ু জানান, তারা আবিষ্কার করেছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাদের নিউজফিডের সব পোস্টের মধ্য থেকেও বিশেষ কিছু পোস্ট একটু বেশি সময় নিয়ে লক্ষ করে
তাই ফেসবুক এখন থেকে চেষ্টা করবে সেই ধরণের কিংবা সেগুলোর সঙ্গে মিল আছে, এমন পোস্ট ব্যবহারকারীর নিউজফিডে পৌঁছে দিতে
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ যাত্রার পর থেকেই নিজেদের সাইটে অনেক পরিবর্তন এনেছে। তারা সব সময়ই চেষ্টা করে এসেছে তাদের কোনো কিছুই যেন ব্যবহারকারীদের কাছে একঘেয়ে না হয়ে ওঠে কখনো। রকম পরিবর্তন আনতে সব সময়ই তারা প্রাধান্য দিয়েছে ব্যবহারকারীদের রুচি, পছন্দ-অপছন্দ কিংবা জনপ্রিয়তা
নিউজফিডকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে সর্বশেষ এই নতুননীতিযোগ করল তারা। এর আগে এপ্রিল মাসেও নিউজফিডের এলগোরিদমে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। ব্যবহারকারীদের নিউজফিডে পেজের পোস্টের থেকে বন্ধুদের পোস্ট যেন বেশি প্রাধান্য পায়, তা নিশ্চিত করাই ছিল সে পরিবর্তনের মূল

সফটওয়্যার উন্নয়নে ‘অ্যাজাইল’ পদ্ধতি নিয়ে ঢাকায় সেমিনার


কম্পিউটার সফটওয়্যারের মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ‘অ্যাজাইল’ একটি ব্যতিক্রম ও উপযুক্ত পদ্ধতি। এর প্রয়োগ করে সফটওয়্যার নির্মাণকে ভিন্ন মাত্রা দেওয়া সম্ভব। বাংলাদেশি সফটওয়্যার নির্মাতাদের কাছে অ্যাজাইল পদ্ধতি তুলে ধরতে গত শুক্রবার ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত হলো ‘অ্যাজাইল বাংলাদেশ সেমিনার- ২০১৫’।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে চাইলে অবশ্যই সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় প্রয়োজন। দেশীয় সফটওয়্যার নির্মাতাদের দক্ষতা বাড়াতে এ সেমিনার কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারের উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান। তিনি বলেন, ‘আমরা কাজ করছি এবং ভালো কিছু করার চেষ্টা করছি। কিন্তু আমরা সঠিক পথটা কতটুকু চিনি বা জানি। অ্যাজাইল সে রকমই একটা পদ্ধতি, যেটি ব্যবহার করে সফটওয়্যার নির্মাণকে অনেক বেশি সাবলীল করা সম্ভব।’
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজির (ডিআইআইটি) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, পরিচালক রথীন্দ্র নাথ দাস, এমআইএসসি কনসালটেন্সির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ জেড এম কামরুজ্জামানসহ অনেকে।
সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন ১০০ জন তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী, সফটওয়্যার নির্মাতা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকর্তা এবং তথ্যপ্রযুক্তি গবেষক। সেমিনারে অ্যাজাইল পদ্ধতি নিয়ে দিনব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন অ্যাজাইল বিশ্লেষক কক ইউ সিও, ফালগুনা রামারাজু, মাহমুদুর রহমান এবং আল-মাহবুবুল আলম।
সেমিনারটির আয়োজন করে ডিআইআইটি এবং এমআইএসসি।